কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে হয় এবং অন পেজ এসইও বলতে কি বুঝায়

আজকের আর্টিকেলে আপনাদেরকে , কীভাবে একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে হয় এবং অন পেজ এসইও ( On Page SEO ) সম্পর্কে জানাবো । অনপেজ এসইও এর মাধ্যমে কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখবেন সে বিষয়ে শেখানোর চেষ্টা করব। তো কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে হয় এ বিষয়ে সম্পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করার জন্য আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন মনোযোগ সহকারে। প্রথমে তো আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অর্থাৎ এসইও সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে আমি নিজের সম্পর্কে সাধারণ এবং সংক্ষিপ্ত ধারণা দিলাম।

How To Write A SEO Friendly Article And One Page SEO Bangla Tutorial

 

 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন SEO কী?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) হচ্ছে এমন এক ধরনের পদ্ধতি যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তােলা, যাতে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সার্চ রেজাল্টে ওয়েবসাইটি অন্য সাইটকে পেছনে ফেলে সবার আগে প্রদর্শিত হতে পারে। এই ধরনের সার্চ রেজাল্টকে Organic বা Natural সার্চ রেজাল্ট বলা হয়। সার্চ রেজাল্টের প্রথম পৃষ্ঠায় দশটি ওয়েবসাইটের মধ্যে নিজের ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসাই সবার লক্ষ্য থাকে। এর কারণ হিসেবে দেখা যায় ব্যবহারকারীরা সাধারণত শীর্ষ দশের মধ্যে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটকে না পেলে দ্বিতীয় পাতায় না গিয়ে অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করে পুনরায় সার্চ করেন। শীর্ষ দশে থাকার মানে হচ্ছে ওয়েবসাইটে বেশি সংখ্যক ভিজিটর পাওয়া আর বেশি সংখ্যক ভিজিটর মানে হচ্ছে বেশি আয় করা। এজন্য সবাই মরিয়া হয়ে নিজের ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উপযুক্ত করে তুলেন।

 

 

 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর প্রকারভেদ

 

 

 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট নিজের আর্টিকেল গুলোকে গুগল এর সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে নিয়ে আসে । যার ফলে গুগল এর সার্চ রেজাল্ট এর পেজে এডস বা বিজ্ঞাপন এর পরের অবস্থানকৃত ওয়েবসাইটটি যখন দেখাবে , তখন উক্ত সাইটে সুন্দর ভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) করা রয়েছে । এখন আপনি একটি আর্টিকেল লিখলেন কিন্তু ভিজিটর পাচ্ছেন না 🙂 যার একমাত্র কারণ হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) । আমি আপনাদের কে ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) কী । এখন আপনাদের কে বলে রাখি SEO দুই ধরনের হয় । যথা ;-

 

অন পেজ এসইও (On Page SEO)

 

অফ পেজ এসইও (Off Page SEO)

 

 

 

On page & Off Page SEO

 

 

 

Off page SEO:  হলো অন্যরা আপনার সম্পর্কে যা বলছে।

 

On page SEO: সহজভাবে বলা যায়, আপনি আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে যা বলছেন

 

 

 

অন পেজ এসইও (On Page SEO)

 

 

 

প্রথমে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অর্থাৎ (SEO) এর কথা বললে অবশ্যই অন পেজ এসইও (On Page SEO) এর কথা বলতে হয় । এখানে অন পেজ এসইও বলতে বোঝানো হচ্ছে যে, আপনি যে আর্টিকেল এর উপর কাজ করবেন সেটাকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর আওতায় আনা। এসইও শিখতে পারলে ব্লগারদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন হবে। এটি সম্পূর্ণ একটি ডেডিকেটেড আর্টিকেল এর উপর কাজ না করলে আপনি সহজে অন পেজ এসইও (On Page SEO) শিখতে পারবেন না। তারপরও সংক্ষেপে আপনাদেরকে অন পেজ এসইও (On Page SEO) এর সামান্য ধারনা দিচ্ছি ।

 

 

 

প্রথমত আর্টিকেলকে সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে আনতেই হলে অবশ্যই আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অনুযায়ী কাজ করতে হবে । অর্থাৎ আর্টিকেল অথবা পেজকে (SEO) ফ্রেন্ডলি করে তুলতে হবে।যেন সার্চ ইঞ্জিন বুঝতে পারে , যে আপনার পেজ অথবা আর্টিকেল কি বিষয় এর উপর লেখা হয়েছে এবং ইনডেক্স করতে পারে । ইনডেক্স করা আর রেংক করা এক বিষয় নয় । ইনডেক্স করা বলতে পারেন , শুধুমাত্র গুগল আপনার সাইটের পোস্ট নিজের ড্যাটাবেস এ নেয় এবং তারপর সার্চ ইঞ্জিন এর সার্চ রেজাল্ট এর কোন পেজ এর কত নাম্বার অবস্থানে রয়েছে । তা নির্ভর করবে আপনার সাইটের অন পেজ এসইও এর উপর । এসইও ভালো করে করলে আপনি সফল হবেনই ।

 

 

 

আজকের আর্টিকেল এ আপনাদের কে অন পেজ এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল কীভাবে করবেন সেটা দেখাবো । অন পেজ এসইও এর কয়েকটি ধাপ রয়েছে সেগুলো ফলো করলে, আপনি সহজেই আপনার আর্টিকেলকে রেংক করাতে পারবেন । তার জন্য আপনাকে কিছু রুলস ফলো করতে হবে । নিচেরগুলো বলা হলো এবং সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো ।

 

Keyword Research

 

H2 / H3 Tag Used

 

SEO Friendly Title

 

Information Able Content

 

IMAGE, Alt Tag

 

Tags

 

Categories

 

 

 

Keyword Research কিওয়ার্ড রিসার্চ

 

 

 

আপনি যে বিষয়ে একটি পোস্ট বা পেজ লিখতে চাচ্ছেন সেই বিষয়ে টপিক নির্বাচন করুন । এবং সঠিক কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন । আপনি যদি কিওয়ার্ড রিসার্চ কীভাবে করে না জানেন তাহলে নিচের লিংক থেকে পড়ে আসতে পারেন। আশাকরি আপনার উপকার হবে (লিংক) । একটি আর্টিকেল কে রেংক করাতে হলে আপনাকে অবশ্যই সুন্দর একটি কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে এবং সেই বিষয় এর উপর ভিত্তি করে আর্টিকেল টি সাজিয়ে লিখতে হবে । যাকে এক কথায় এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখা বলা হয়। অতএব আপনার আর্টিকেলটিকে রেংক করাতে হলে অবশ্যই আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে।

 

 

 

H2 / H3 Tag Used – সাব হেডিং ট্যাগ এর ব্যবহার

 

 

 

আপনি যখন একটি কিওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে আর্টিকেল লিখবেন। তখন আপনি সেই আর্টিকেল এর মূল বিষয় হতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক পাবেন , আর একে সাব হেডিং বলে । যেমন আমি এই আর্টিকেলে এ লিখেছি , “কিওয়ার্ড রিসার্চ” “টাইটেল নির্বাচন ” ইত্যাদি । এই গুলো সম্পর্কে লেখার সময় আমি আলাদা করে বোঝানোর জন্য সম্পূর্ণ আলাদা ভাবে H2 / H3 Tag ব্যবহার করেছি । এবং এই কাজকেই H2 / H3 Tag ব্যবহার করা বলা হয় । একটি আর্টিকেলকে রেংক করানোর ক্ষেত্রে সাব হেডিং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । আপনি আর্টিকেল কে রেংক করানোর জন্য আপনার কিওয়ার্ড কে সাব হেডিং ট্যাগ এর ব্যবহার করবেন । তাহলে আপনার কিওয়ার্ডটি রেংক হওয়ার আশা বেশি থাকে।

 

 

 

SEO Friendly Title – এসইও ফ্রেন্ডলি টাইটেল

 

 

 

কিওয়ার্ড রিসার্চ এর পরে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে এসইও ফ্রেন্ডলি টাইটেল । ধরুন আপনি একটি আর্টিকেল নির্বাচন করেছেন, যে জাতীয় পরিচয় পত্র কিভাবে অনলাইন থেকে দেখবেন । এইটা হবে আপনার টাইটেল, এইখানে মেইন কিওয়ার্ড হল “ জাতীয় পরিচয় পত্র ” । এবং আমিতো উদাহরণটা দিলাম এটি একটি এসইও ফ্রেন্ডলি টাইটেল। এসইও ফ্রেন্ডলি টাইটেল বলতে বোঝানো হয় আর্টিকেলের টাইটেলে কিওয়ার্ড স্থাপন করা কে । আপনার আর্টিকেলের জন্য যে কী-ওয়ার্ডটি সিলেট করবেন। তখন খেয়াল রাখবেন যেন আর্টিকেল টাইটেলে আপনার কিওয়ার্ডটি অবস্থান করে। এক্ষেত্রে আপনি কিওয়ার্ডটি টাইটেল এর শুরুতে দিতে পারেন তাহলে আরো ভালো হয়। এভাবে একটি এসইও ফ্রেন্ডলি টাইটেল নির্বাচন করতে হয় ।

 

 

 

Information Able Content – তথ্যবহুল পোস্ট লেখা

 

 

 

এখন আপনাকে আর্টিকেলটি লিখতে হবে, এখন কি করবেন? সহজ বিষয় আর্টিকেলটি লিখবেন। কিন্তু শুধুমাত্র আর্টিকেলটি লিখলে তো আর রেংক করবে না । এখন উপায় কি ? এখনো উপায় হল সঠিক এবং তথ্যবহুল আর্টিকেল বা পোস্ট লেখা। আপনার আর্টিকেল বা পোস্টকে রেংক করানোর জন্য সঠিক এবং তথ্যবহুল পোষ্টই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ  যখন আর্টিকেল লিখবেন তখন অবশ্যই আপনার আর্টিকেলটি তথ্যবহুল এবং সঠিক ইনফরমেশন দিয়ে তৈরি করবেন। আপনার আর্টিকেলটি যদি গুগলের ফাস্ট পেজে রেঙ্ক না হয় তাহলেও আপনি ভিজিটর পাবেন না। ভিজিটর একবার মাত্র ক্লিক করার পর এই বের হয়ে যাবে। অর্থাৎ আর্টিকেল কে তথ্য বহুল এবং সঠিক ইনফরমেশন দিয়ে তৈরি করুন।

 

 

 

IMAGE, Alt Tag – ছবি ব্যবহার করা

 

 

 

আপনাকে অবশ্যই আর্টিকেলে আর্টিকেল সম্পর্কিত একটি ছবি ব্যবহার করতে হবে এবং তাতে ইমেজ অপটিমাইজেশন করতে হবে অর্থাৎ IMAGE, Alt Tag ব্যবহার করতে হবে। আপনি যখন একটি ইমেজ ব্যবহার করবেন তখন যদি আপনার আর্টিকেল এর ইমেজটি লোড হতে সময় নেয়। তখন IMAGE, Alt Tag আপনার ইমেজ সম্পর্কে তথ্য দেয়। যা গুগলকে ইন্ডেক্স করাতে অনেকটা সাহায্য করে। এমনকি এতে করে আপনার কনটেন্ট সেপারেটলি গুগলের কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং যার ফলস্বরুপ আপনি সহজেই আপনার আর্টিকেল কে রেংক করাতে পারবেন ।

 

 

 

Tags – পোস্ট সম্পর্কিত ট্যাগ ব্যবহার করুন

 

 

 

তার পরের ধাপে আসে পোস্ট সম্পর্কিত ট্যাগ ব্যবহার করা। আপনি যে বিষয়ে পোষ্ট লিখেছেন সেই বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার করতে পারেন। যে ক্ষেত্রে আপনি কিছু বাড়তি সুবিধা পাবেন। তার থেকে একটি হলো আপনার কিওয়ার্ড বাদেও যদি কেউ ট্যাগ রিলেটেড সার্চ করে তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি তাদের সামনে আসতে পারে । যাকে বলে এক ঢিলে দুই পাখি, ধরুন আমার এই আর্টিকেলে আমি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে লিখতেছি। কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন একটি বড় বিষয়। এক আর্টিকেল এর মাধ্যমে সম্ভব নয় এটা বোঝানো। যার জন্য এই আর্টিকেলের শুধুমাত্র আমি অন পেজ এসইও সম্পর্কে আলোচনা করতেছি। এবং কিছু সাব হেডিং ব্যবহার করতেছি । এবং আমি যদি সাব হেডিং গুলি ট্যাগ হিসাবে ব্যবহার করি তাহলে একটা আলাদা প্রফিট পাবো। এভাবে আপনিও আর্টিকেলে রিলেটেড ট্যাগ ব্যবহার করবেন।

 

 

 

Categories – সঠিক ক্যাটেগরি নির্বাচন করুন

 

 

 

এবং সর্বশেষ ধাপ হলো সঠিক ক্যাটেগরি নির্ধারণ করা। এটা খুব একটা সহজ বিষয়। আপনি যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখেছেন সেই বিষয় সম্পর্কে একটি ক্যাটাগরি তৈরি করে নিবেন এবং সেই ক্যাটেগরিতে পোষ্টটি আপলোড করবেন। উদাহরণস্বরূপ আপনি ওয়ার্ডপ্রেস থিম সম্পর্কে লিখেছেন। এখন আপনাকে ডেডিকেটেড ওয়ার্ডপ্রেস থিম সম্পর্কে ক্যাটাগরি তৈরি না করে শুধুমাত্র ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাটাগরিতেই পোস্টে আপলোড করতে পারেন। এত করে সুবিধা হবে কি আপনি যদি সাইটম্যাপ সাবমিট করেন তাহলে যদি কেউ ওয়াডপ্রেস ইন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে গুগলের কাছে। তাহলে আপনার ওয়েবসাইটকে গুগল দেখাতে সাহায্য করবে।

 

 

 

 

 

আশা করি বুঝতে পারছেন আজকের মতো এই পর্যন্তই শেষ। এই আর্টিকেলে আপনাদের দেখালাম অনপেজ এসইও সম্পর্কে । আশা করি সবাই বুঝতে পারছেন বুঝতে না পারলে নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে পারেন। এবং পরবর্তী আর্টিকেলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর দ্বিতীয় পর্ব অর্থাৎ অফ পেজ এসইও সম্পর্কে আলোচনা করব। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

 

 

 

আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। শেয়ার করতে নিচের অপশন গুলোতে ক্লিক করতে পারেন । ধন্যবাদ খোদা হাফেজ ।

 

 

 

 

 

 

2 thoughts on “কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে হয় এবং অন পেজ এসইও বলতে কি বুঝায়”

  1. আপনার আর্টিকেল দেখে একটি আর্টিকেল লিখেছি এবং সফল ও হয়েছি , কিন্তু আমার পোস্ট টি ২ নাম্বার পজিসন এ দেখাচ্ছে । অথছ আমি ১ম ওয়েবসাইট এর চেয়েও অনেক বেশি তথ্য প্রদান করেছি । কিন্তু এমন টা হোয়ার কারণ কি ? আশাকরি উত্তর টা দিবেন 🤩।

    Reply
    • আমরা সত্যিই খুব আনন্দিত , যে আপনি সফল হয়েছেন ।

      ★ আপনার ওয়েবসাইট এর হয়ত ব্যাকলিং কম । ব্যাকলিংক বৃদ্ধি করলে হয়ত আপনার আর্টিকেল টি ১ম এ আসবে ।

      ★ খুব দ্রুতই ব্যাকলিংক সম্পর্কে বিস্তারিত বলবো একটি পোস্ট এ ।তার জন্য আমাদের সাথে থাকুন ।

      Reply

Leave a Comment