আধুনিক বিজ্ঞানের অসাধারণ 6 টি প্রযুক্তি যা কিনা আপনার দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত করতে পারেন ।

এই প্রযুক্তির যুগে বিজ্ঞান আমাদের জন্য নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করছে। যে কিনা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে করে তুলেছে সহজ এবং ব্যবহারযোগ্য। আজকের এই আর্টিকেলে ব্যবহারযোগ্য 6 টি প্রযুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করব।

 

ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera)

আমাদের খুবই পরিচিত একটি যন্ত্র হচ্ছে ক্যামেরা। এসময়ে খুব জনপ্রিয় হলাে ডিজিটাল ক্যামেরা। ডিজিটাল ক্যামেরার প্রচলন অনেক আগে থেকে শুরু হলেও কম্পিউটারের ইনপুট যন্ত্র হিসেবে এর ব্যবহার শুরু হয়েছে অনেক পরে। প্রথম দিকে গবেষণার কাজে বিশেষ করে মহাকাশ গবেষণায়। ডিজিটাল ক্যামেরা

কম্পিউটারের ইনপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়। বর্তমানে প্রায় সকল প্রকার ডিজিটাল ক্যামেরাই কম্পিউটারের ইনপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ডিজিটাল ক্যামেরাটিকে ইউএসবি পাের্টের

ডিজিটাল ক্যামেরা মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করে ডিজিটাল ছবি কম্পিউটারে প্রবেশ করানাে হয়।

 

ডিজিটাল ক্যামেরা @

 

ওয়েব ক্যাম (Web Cam)

ওয়েব ক্যাম বা ওয়েব ক্যামেরা ডিজিটাল ক্যামেরারই একটি বিশেষ রূপ। এটি হার্ডওয়্যার হিসেবে কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে। সাধারণত ল্যাপটপ কম্পিউটারে ওয়েব ক্যামেরা সংযুক্ত থাকে। ওয়েব ক্যামেরার মাধ্যমে স্থির চিত্র বা ভিডিও চিত্র কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে প্রবেশ করানাে যায়। ওয়েব ক্যামেরা ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটার।

ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে সরাসরি ছবি বা ভিডিও আদান। ওয়েব ক্যাম বা ওয়েব ক্যামেরা প্রদান করতে পারে। সামাজিক ওয়েব সাইটগুলােতে পারস্পরিক আলাপচারিতায় ওয়েব ক্যাম ব্যবহৃত হয়। ভিডিও কনফারেন্স বা ভিডিও ফোনে ওয়েব ক্যামের ব্যবহার সর্বাধিক। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে এ ক্যামেরার ব্যাপক ব্যবহারের কারণেই এর নাম হয়েছে ওয়েব ক্যাম।

 

ওয়েব ক্যাম @

 

ওয়েব ক্যাম বর্তমানে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাসা-বাড়িতে নিরাপত্তার প্রয়ােজনে এ ক্যাম ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্যামেরার সাথে সরাসরি কম্পিউটারের সংযােগ থাকে। ফলে এ ক্যামেরা ভিডিও চিত্র কম্পিউটারে প্রেরণ করে এবং তা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে রাখে। পরবর্তীতে ভিডিওচিত্র দেখে অপরাধী শনাক্ত করা সম্ভব হয়। আমাদের দেশেও অপরাধ দমনে এ পদ্ধতি ব্যবহার শুরু করা হয়েছে ।

স্ক্যানার (Scanner)

একসময় ফটোকপি মেশিনের সাহায্যে আমরা বিভিন্ন ডকুমেন্টের প্রতিলিপি (কপি) করতাম। কিন্তু এ প্রতিলিপি যতবার দরকার ততবারই মেশিন ব্যবহার করতে হতাে। তথ্যটি সংরক্ষিত থাকত না। এ সমস্যাটির সমাধান যে যন্ত্রটি করে দিয়েছে তার নাম স্ক্যানার। যে কোনাে প্রকার ছবি, মুদ্রিত বা হাতে লেখা কোনাে ডকুমেন্ট অথবা কোনাে বস্তুর ডিজিটাল প্রতিলিপি তৈরি করার যন্ত্রের নাম স্ক্যানার। এ ডিজিটাল প্রতিলিপি বিভিন্ন প্রকারের তথ্য ফাইল আকারে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা যায়।

 

স্ক্যানার @

 

 ওএমআর (OMR)

ওএমআর এর পূর্ণরূপ হচ্ছে অপটিক্যাল মার্ক রিডার (Optical Mark Reader) এটিও একটি ইনপুট ডিভাইস। আলাের প্রতিফলন বিচার করে এটি বিভিন্ন ধরনের তথ্য বুঝতে পারে। ওএমআরের কাজের ধরন অনেকটা স্ক্যানারের মতাে। বিশেষভাবে তৈরি করা কিছু দাগ বা চিহ্ন ওএমআর পড়তে পারে। বর্তমানে এটি অনেকের কাছেই খুব পরিচিত। বিশেষ করে বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরপত্র যাচাইয়ে এটির ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

 

ওএমআর বা অপটিক্যাল মার্ক রিডার @

 

সঠিক উত্তরের বৃত্তটির অবস্থান কম্পিউটারকে আগে থেকেই জানিয়ে রাখা হয়। শিক্ষার্থীরা সঠিক বৃত্ত ভরাট করলে নম্বর পেয়ে যায়। অন্যথায় নম্বর পাওয়া যায় না।সঠিকটিসহ একের অধিক বৃত্ত ভরাট করলেও নম্বর পাওয়া যায় না। এর মাধ্যমে কম সময়ে অনেক উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা। যায়। এছাড়া মূল্যায়নে ভুল বা পক্ষপাতিত্ব হওয়ার কোনাে সম্ভাবনাই নেই। তাই এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।

 

ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ও মেমােরি কার্ড (Flash Drive & Memory

যারা কম্পিউটার ব্যবহার করে তাদের কাউটারের অনেক তথ্য এক কম্পিউটার থেকে অন্য ভলিউটারে নিতে হয়। সেটা সবচেয়ে সহজে করা যায় নেটওয়ার্কিং ব্যবহার করে। যেখানে নেটওয়ার্ক নেই সেখানে তথ্য নিতে হলে কোনাে এক ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস ব্যবহার করতে হয়। যে স্টোরেজ ডিভাইসটি সবচেয়ে সহজে বহন করা যায় সেটার নাম পেনড্রাইভ কিংবা ফ্ল্যাশ ডাইভ।

 

নাম শুনেই বুঝতে পারছাে এটা পেন বা কলমের মতাে ছােটো এবং পকেটে করে নেয়া যায়।।

পেন ড্রাইভ ২০০০ সালের দিকে যখন এগুলাে বাজারে আসে তখন ৩২ মেগাবাইট তথ্য ধারণ করতে পারতাে। এখন ৩২ গিগাবাইটের পেনড্রাইভ সহজেই পাওয়া যায়। মূল্যও আগের তুলনায় এখন হাতের নাগালে। এটি সিডি-ডিভিডির তুলনায় টেকেও বেশি দিন। তাই ব্যবহারকারীদের কাছে এর জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন ধরনের সুন্দর ডিজাইনের পেনড্রাইভ বাজারে পাওয়া যায়। ফ্ল্যাশ ড্রাইভ বা পেনড্রাইভ ছাড়াও বর্তমানে তথ্য সংরক্ষণের জন্য এক ধরনের মাইক্রোচিপ সংযুক্ত কার্ড ব্যবহার করা হয়।

 

ফ্ল্যাশ ড্রাইভ@

 

এগুলাের নাম মেমােরি কার্ড। মেমােরি কার্ডেও অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। তবে এটি সরাসরি সংযােগ দেওয়া যায় না। এর জন্য নির্ধারিত স্লট প্রয়ােজন হয় অথবা কার্ড রিডার ব্যবহার করতে হয়। মেমােরি কার্ড নানা আকৃতি ও বিভিন্ন ক্ষমতার হতে পারে। তােমাদের অত্যন্ত প্রিয় এমপিথ্রি

(mp3) বা এমপিফোর (mp4) প্লেয়ার এবং গেমস্ খেলার যন্ত্রগুলাে ছাড়াও সকল ধরনের তথ্য সংরক্ষণের জন্য সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ অথবা ডিজিটাল ক্যামেরা, মােবাইল ফোন বা মেমােরি কার্ডের মধ্যে কোনটিকে বেশি উপযােগী মনে স্মার্টফোনে এগুলাের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ করা যায় ।

 

মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (multimedia projector)

 

মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর হলো একটি ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্র। এর সাহায্যে কম্পিউটার বা অন্য কোন ভিডিও উৎস থেকে নেওয়া ডেটাবেজে রূপান্তর করা যায়। এ ইমেজ লেন্স পদ্ধতির মাধ্যমে বহুগুণে বিবর্ধিত করে দূরবর্তী ডিভাইসে ফেলে উজ্জ্বল ইমেজ তৈরি করে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর। আধুনিক প্রজেক্টর গুলো ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরি করতে সক্ষম।

 

মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সাধারণত প্রেজেন্টেশনের কাজে ব্যবহার করা হয় এগুলো স্লাইড প্রজেক্টর এবং ওভারহেড প্রজেক্টর এর আধুনিক রূপ। এটি ডিজিটাল ইমেজকে যেকোনো সময় যেমন দেওয়াল বা দেশের ওপর বড় করে ফেলতে সক্ষম। বিশাল সভাকক্ষে ব্যবহারের জন্য এর উজ্জ্বল্য 1000 থেকে 4000 লুমেন্স এর হতে পারে। এটি ল্যাম্পের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে।

 

মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর@

 

এলসিডি প্রজেক্টর গুলোর ল্যাম্প সাধারণত 4000 ঘন্টা ব্যবহারের পর পরিবর্তন করতে হয়। আরেক ধরনের প্রজেক্টর রয়েছে যা এলইডি প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এগুলোর ল্যাম্প 20000 ঘন্টা কাজ করতে পারে। তবে এগুলোর মূল্য তুলনামূলক ভাবে একটু বেশি হয়।

 

মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর কিভাবে কাজ করে

 

টেলিভিশন, সিডি অথবা ডিভিডি প্লেয়ার ইত্যাদি থেকে ইমেজ নিয়ে তা এলসিডিতে সরবরাহ করে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর। এরপর ইমেজটি একটি লেন্সের মাধ্যমে সমতল পৃষ্ঠের উপর ফেলা হয়। এজন্য বড় কোনো আসবার এর প্রয়োজন পড়ে না। এলসিডি এলইডি প্রজেক্টর আকারে ছোট বলে খুব সহজে বহনযোগ্য। বর্তমান পকেট প্রজেক্টর পাওয়া যায় যা কম্পিউটার, ট্যাবলেট পিসি বা মোবাইল ফোন থেকে ব্যবহারের সুবিধাও দেয়। অতঃপর আপনার খুদে ডিভাইস বা যন্ত্র থেকেও পকেট প্রজেক্টর হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

 

অফ টপিক : মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সম্পর্কে আমি একটি ছোট আর্টিকেল প্রকাশ করেছি সেখান থেকে বিস্তারিত পড়ে নিতে পারেন। আশা করি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন। এবং এই পোষ্টের অন্যান্য যন্ত্রাংশ ডিভাইস গুলোর বিবরণ সঠিক না থাকলে আমাকে কমেন্টে জানাতে পারেন আমি পরবর্তীতে ঠিক করে দেবো। মাল্টিমিডিয়া কি কিভাবে কাজ করে এবং মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তির ব্যবহার

 

নতুন শিখলাম:

ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera) : 

আমাদের খুবই পরিচিত একটি যন্ত্র হচ্ছে ক্যামেরা। এসময়ে খুব জনপ্রিয় হলাে ডিজিটাল ক্যামেরা। ডিজিটাল ক্যামেরার প্রচলন অনেক আগে থেকে শুরু হলেও কম্পিউটারের ইনপুট যন্ত্র হিসেবে এর ব্যবহার শুরু হয়েছে অনেক পরে। প্রথম দিকে গবেষণার কাজে বিশেষ করে মহাকাশ গবেষণায়। ডিজিটাল ক্যামেরা

কম্পিউটারের ইনপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়। বর্তমানে প্রায় সকল প্রকার ডিজিটাল ক্যামেরাই কম্পিউটারের ইনপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ডিজিটাল ক্যামেরাটিকে ইউএসবি পাের্টের

ডিজিটাল ক্যামেরা মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করে ডিজিটাল ছবি কম্পিউটারে প্রবেশ করানাে হয়।

 

ডিজিটাল ক্যামেরা @

 

ওয়েব ক্যাম (Web Cam): 

ওয়েব ক্যাম বা ওয়েব ক্যামেরা ডিজিটাল ক্যামেরারই একটি বিশেষ রপ। এটি হার্ডওয়্যার হিসেবে কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে। সাধারণত ল্যাপটপ কম্পিউটারে ওয়েব ক্যামেরা সংযুক্ত থাকে। ওয়েব ক্যামেরার মাধ্যমে স্থির চিত্র বা ভিডিও চিত্র কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে প্রবেশ করানাে যায়। ওয়েব ক্যামেরা ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটার।

ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে সরাসরি ছবি বা ভিডিও আদান। ওয়েব ক্যাম বা ওয়েব ক্যামেরা প্রদান করতে পারে। সামাজিক ওয়েব সাইটগুলােতে পারস্পরিক আলাপচারিতায় ওয়েব ক্যাম ব্যবহৃত হয়। ভিডিও কনফারেন্স বা ভিডিও ফোনে ওয়েব ক্যামের ব্যবহার সর্বাধিক। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে এ ক্যামেরার ব্যাপক ব্যবহারের কারণেই এর নাম হয়েছে ওয়েব ক্যাম।

 

ওয়েব ক্যাম @

 

ওয়েব ক্যাম বর্তমানে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাসা-বাড়িতে নিরাপত্তার প্রয়ােজনে এ ক্য। ব্যবহার করা হয়। এ ক্যামেরার সাথে সরাসরি কম্পিউটারের সংযােগ থাকে। ফলে এ ক্যামেরা ভিডিও চিত্র কম্পিউটারে প্রেরণ করে এবং তা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। পরব’ ভিডিওচিত্র দেখে অপরাধী শনাক্ত করা সম্ভব হয়। আমাদের দেশেও অপরাধ দমনে এ পদ্ধতি ব্যবহ

ক্যামেরা সার্বক্ষণিক হয়। পরবর্তীতে সে কত ব্যবহার করা হচ্ছে।

 

স্ক্যানার (Scanner) : 

একসময় ফটোকপি মেশিনের সাহায্যে আমরা বিভিন্ন ডকুমেন্টের প্রতিলিপি (কপি) করতাম। কিন্তু এ প্রতিলিপি যতবার দরকার ততবারই মেশিন ব্যবহার করতে হতাে। তথ্যটি সংরক্ষিত থাকত না। এ সমস্যাটির সমাধান যে যন্ত্রটি করে দিয়েছে তার নাম স্ক্যানার। যে কোনাে প্রকার ছবি, মুদ্রিত বা হাতে লেখা কোনাে ডকুমেন্ট অথবা কোনাে বস্তুর ডিজিটাল প্রতিলিপি তৈরি করার যন্ত্রের নাম স্ক্যানার। এ ডিজিটাল প্রতিলিপি বিভিন্ন প্রকারের তথ্য ফাইল আকারে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা যায়।

 

স্ক্যানার @

 

 ওএমআর (OMR): 

ওএমআর এর পূর্ণরূপ হচ্ছে অপটিক্যাল মার্ক রিডার (Optical Mark Reader) এটিও একটি ইনপুট ডিভাইস। আলাের প্রতিফলন বিচার করে এটি বিভিন্ন ধরনের তথ্য বুঝতে পারে। ওএমআরের কাজের ধরন অনেকটা স্ক্যানারের মতাে। বিশেষভাবে তৈরি করা কিছু দাগ বা চিহ্ন ওএমআর পড়তে পারে। বর্তমানে এটি অনেকের কাছেই খুব পরিচিত। বিশেষ করে বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরপত্র যাচাইয়ে এটির ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

 

ওএমআর বা অপটিক্যাল মার্ক রিডার @

 

 সঠিক উত্তরের বৃত্তটির অবস্থান কম্পিউটারকে আগে থেকেই জানিয়ে রাখা হয়। শিক্ষার্থীরা সঠিক বৃত্ত ভরাট করলে নম্বর পেয়ে যায়। অন্যথায় নম্বর পাওয়া যায় না।সঠিকটিসহ একের অধিক বৃত্ত ভরাট করলেও নম্বর পাওয়া যায় না। এর মাধ্যমে কম সময়ে অনেক উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা। যায়। এছাড়া মূল্যায়নে ভুল বা পক্ষপাতিত্ব হওয়ার কোনাে সম্ভাবনাই নেই। তাই এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।

 

ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ও মেমােরি কার্ড (Flash Drive & Memory :

যারা কম্পিউটার ব্যবহার করে তাদের কাউটারের অনেক তথ্য এক কম্পিউটার থেকে অন্য ভলিউটারে নিতে হয়। সেটা সবচেয়ে সহজে করা যায় নেটওয়ার্কিং ব্যবহার করে। যেখানে নেটওয়ার্ক নেই সেখানে তথ্য নিতে হলে কোনাে এক ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস ব্যবহার করতে হয়। যে স্টোরেজ ডিভাইসটি সবচেয়ে সহজে  বহন করা যায় সেটার নাম পেনড্রাইভ কিংবা ফ্ল্যাশ ডাইভ।

 

নাম শুনেই বুঝতে পারছাে এটা পেন বা কলমের মতাে ছােটো এবং পকেটে করে নেয়া যায়।।

পেন ড্রাইভ ২০০০ সালের দিকে যখন এগুলাে বাজারে আসে তখন ৩২ মেগাবাইট তথ্য ধারণ করতে পারতাে। এখন ৩২ গিগাবাইটের পেনড্রাইভ সহজেই পাওয়া যায়। মূল্যও আগের তুলনায় এখন হাতের নাগালে। এটি সিডি-ডিভিডির তুলনায় টেকেও বেশি দিন। তাই ব্যবহারকারীদের কাছে এর জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন ধরনের সুন্দর ডিজাইনের পেনড্রাইভ বাজারে পাওয়া যায়। ফ্ল্যাশ ড্রাইভ বা পেনড্রাইভ ছাড়াও বর্তমানে তথ্য সংরক্ষণের জন্য এক ধরনের মাইক্রোচিপ সংযুক্ত কার্ড ব্যবহার করা হয়।

 

ফ্ল্যাশ ড্রাইভ@

 

এগুলাের নাম মেমােরি কার্ড। মেমােরি কার্ডেও অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। তবে এটি সরাসরি সংযােগ দেওয়া যায় না। এর জন্য নির্ধারিত স্লট প্রয়ােজন হয় অথবা কার্ড রিডার ব্যবহার করতে হয়। মেমােরি কার্ড নানা আকৃতি ও বিভিন্ন ক্ষমতার হতে পারে। তােমাদের অত্যন্ত প্রিয় এমপিথ্রি

(mp3) বা এমপিফোর (mp4) প্লেয়ার এবং গেমস্ খেলার যন্ত্রগুলাে ছাড়াও সকল ধরনের | তথ্য সংরক্ষণের জন্য সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ অথবা ডিজিটাল ক্যামেরা, মােবাইল ফোন বা মেমােরি কার্ডের মধ্যে কোনটিকে বেশি উপযােগী মনে | স্মার্টফোনে এগুলাের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ করা যায় ।

 

মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (multimedia projector):

 

মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর হলো একটি ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্র। এর সাহায্যে কম্পিউটার বা অন্য কোন ভিডিও উৎস থেকে নেওয়া ডেটাবেজে রূপান্তর করা যায়। এ ইমেজ লেন্স পদ্ধতির মাধ্যমে বহুগুণে বিবর্ধিত করে দূরবর্তী দেভাইস কিনে ফেলে উজ্জ্বল ইমেজ তৈরি করে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর। আধুনিক প্রজেক্টর গুলো ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরি করতে সক্ষম।

 

মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সাধারণত প্রেজেন্টেশনের কাজে ব্যবহার করা হয় এগুলো স্লাইড প্রজেক্টর এবং ওভারহেড প্রজেক্টর এর আধুনিক রূপ। এটি ডিজিটাল ইমেজকে যেকোনো সময় যেমন দেওয়াল বা দেশের ওপর বড় করে ফেলতে সক্ষম। বিশাল সভাকক্ষে ব্যবহারের জন্য এর উজ্জ্বল্য 1000 থেকে 4000 লুমেন্স এর হতে পারে। এটি ল্যাম্পের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে।

 

মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর@

 

এলসিডি প্রজেক্টর গুলোর ল্যাম্প সাধারণত 4000 ঘন্টা ব্যবহারের পর পরিবর্তন করতে হয়। আরেক ধরনের প্রজেক্টর রয়েছে যা এলইডি প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এগুলোর ল্যাম্প 20000 ঘন্টা কাজ করতে পারে। তবে এগুলোর মূল্য তুলনামূলক ভাবে একটু বেশি হয়।

 

মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর কিভাবে কাজ করে :

 

টেলিভিশন, সিডি অথবা ডিভিডি প্লেয়ার ইত্যাদি থেকে ইমেজ নিয়ে তা এলসিডিতে সরবরাহ করে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর। এরপর ইমেজটি একটি লেন্সের মাধ্যমে সমতল পৃষ্ঠের উপর ফেলা হয়। এজন্য বড় কোনো আসবার এর প্রয়োজন পড়ে না। এলসিডি এলইডি প্রজেক্টর আকারে ছোট বলে খুব সহজে বহনযোগ্য। বর্তমান পকেট প্রজেক্টর পাওয়া যায় যা কম্পিউটার, ট্যাবলেট পিসি বা মোবাইল ফোন থেকে ব্যবহারের সুবিধাও দেয়। অতঃপর আপনার খুদে ডিভাইস বা যন্ত্র থেকেও পকেট প্রজেক্টর হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। 

 

অফ টপিক : মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সম্পর্কে আমি একটি ছোট আর্টিকেল পড়বে প্রকাশ করেছি সেখান থেকে বিস্তারিত পড়ে নিতে পারেন। আশা করি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন। এবং এই পোষ্টের অন্যান্য যন্ত্রাংশ ডিভাইস গুলোর বিবরণ সঠিক না থাকলে আমাকে কমেন্টে জানাতে পারেন আমি পরবর্তীতে ঠিক করে দেবো।

 

নতুন শিখলাম: ডিজিটাল ক্যামেরা, ওয়েব ক্যাম, ভিডিও কনফারেন্স, স্ক্যানার, ডিজিটাল। প্রতিলিপি, OMR, ফ্লাশ ড্রাইভ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর।

 

 

Leave a Comment