যোগাযোগ কি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর ভূমিকা

 হেলো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভাল আছেন।আজ আপনাকে যোগাযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত বলবো। যোগাযোগ আসলে কী এবং যোগাযোগ কেন করতে হবে ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির দুনিয়ায় । তো সম্পূর্ণ পোস্ট জুড়ে আমি হাসিব মাহমুদ হৃদয় ❤️ আছি আপনাদের সাথে চলুন শুরু করা যাক। যােগাযােগ এর বিষয় এবং এর গুরুত্ব সম্পর্কে জানার আগে অবশ্যই যোগাযোগ বিষয়ে জানতে হবে । এখানে আমি অনলাইন ভিত্তিক যোগাযোগ কে বুঝিয়ে দিয়েছি ।

যােগাযােগ কী?

 ‘যােগাযােগ’ শব্দটির সাথে আমরা সবাই পরিচিত। প্রতিদিন আমরা হাজার রকম যােগাযােগ করছি। যেমন সড়কপথের যােগাযােগ, নৌপথে যােগাযােগ কিংবা আকাশ পথে যােগাযােগ। এসব বলতে বােঝায়। গাড়ি, রেল, নৌকা, স্টিমার ও বিমানকে বাহন হিসেবে ব্যবহার করে এক জায়গা থেকে অন্য যায়গায় যাওয়া বা কোনাে মালপত্র পৌঁছে দেয়া। আজকে আমরা একটু ভিন্ন ধরনের যােগাযােগের কথা বলব। এর নাম তথ্য যােগাযােগ। ভাের বেলা যখন তােমার ঘড়ির অ্যালার্ম বাজে এবং তুমি ঘুম থেকে উঠ, সেটি হচ্ছে ঘড়ির সাথে তােমার যােগাযােগ। 

টেলিভিশনে বা রেডিওতে খবর শুনছ বা কোনাে অনুষ্ঠান দেখছ। বা শুনছ—এটাও এক ধরণের যােগাযােগ। টেলিফোনে কোনাে ট্যাক্সি ক্যাবকে তােমার বাসায় ডাকলে।

সেটিও যােগাযােগ। এই যে লেখাটা তুমি পড়ছ বা ক্লাসে তােমার শিক্ষকের কথা শুনছ, তাঁকে প্রশ্ন করছ, | তাঁর প্রশ্নের জবাব দিচ্ছ- এগুলাে সবই কোনাে না কোনাে ধরনের যােগাযােগ। সুতরাং যােগাযােগ হলাে,

এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে বা এক যন্ত্র থেকে অন্য যন্ত্রে কথা-বার্তা, | চিন্তাভাবনা বা তথ্যের আদান-প্রদান বা বিনিময় করা।

যােগাযােগের মৌলিক নীতিমালা

আর গ্রাহক ছাড়া যােগাযােগ

ব্যধিত থাকবে না, থাকবে আগ্রহ এবং অন্যান্য বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ।

১. যােগাযােগের জন্য অবশ্যই প্রেরক এবং গ্রাহক থাকতে হবে। প্রেরক আর গ্রাহক হয় না। যােগাযােগের জন্য প্রেরক ও গ্রাহকের পরস্পরের প্রতি আস্থা থাকবে থাক গ্রহণযােগ্যতা।

২. যােগাযােগের ভাষা হতে হবে সহজ, সরল, সুস্পষ্ট এবং সম্পূর্ণ। যােগাযােগ আসলে একটি বা কলা। এর তথ্য বা সংকেত বা ভাষা হবে প্রেরক ও গ্রাহকের নিকট বােধগম্য এবং সম্পন্ন 

৩. সঠিক তথ্য পাঠাতে হবে সঠিক ব্যক্তির কাছে। 

৪. যােগাযােগের ভাষা, কথা বা বার্তার মধ্যে অবশ্যই সৌজন্যবােধ থাকবে।

Social Media যােগাযােগের প্রক্রিয়া ও এর ধাপ 

যােগাযােগের জন্য প্রেরক বার্তাকে কোনাে এক ধরনের সংকেতে রূপ দিয়ে সেটি কোনাে মাধ্যম দিয়ে প্রেরণ করে। গ্রাহক সংকেতরূপী বার্তা গ্রহণ করে এর অর্থ উদ্ধার করে এবং প্রয়ােজন হলে সাড়া প্রদান করে বা উত্তর দেয় । এ সাড়া বা উত্তরকে পাঠানাে হয় প্রেরকের কাছে, এ কাজটিকে বলা হয় ফিডব্যাক। এভাবে যােগাযােগ প্রক্রিয়া চলতে থাকে।

যেকোনাে ইলেকট্রনিক যে একটি গ্রাহকযন্ত্র। অধিকাংশ রকযন্ত্রের সাহায্যে যােগা কোন ব্যক্তির কাছে পৌঁছে ?

নিক যােগাযােগব্যবস্থায় থাকে একটি প্রেরক যন্ত্র, একটি যােগাযােগমাধ্যম এবং অধিকাংশ যােগাযােগব্যবস্থার মেসেজ বা বার্তাটি তৈরি করে কোনাে ব্যক্তি। পরে তা গায্যে যােগাযােগ মাধ্যম দিয়ে প্রেরণ করা হয়। গ্রাহক এ বার্তা গ্রহণ করে অপর কাছে পৌঁছে দেয়। এগুলােই হলাে যােগাযােগের ধাপ ।

 ইলেকট্রনিক যােগাযােগ ব্যবহারের মূল উপাদান বা ধাপ ।

যােগাযােগের উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব

 যােগাযােগ হলাে তথ্য আদান-প্রদানের মূল প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে মানুষ তার চিন্তা, ধারণা, অনুভব একে অন্যের কাছে প্রকাশ করে বা পৌঁছে দেয়। মানব সৃষ্টির আদিকাল থেকে মানুষ একে অন্যের সাথে নানাভাবে যােগাযােগ করছে। এখন আমরা মুহূর্তের মধ্যে টেলিফোন, মােবাইল ফোন, ইন্টারনেট, ফ্যাক্স ও ই-মেইলের মাধ্যমে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যােগযােগ করতে পারি।

 কোনাে সমস্যা সমাধান বা সম্পর্কের উন্নতি নির্ভর করে সার্থক এবং কার্যকর যােগাযােগের উপর। পড়ালেখা, গবেষণা, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কারখানা, রাজনীতি, অর্থনীতি, কূটনীতি, পরিবহন ব্যবস্থাপনা, অপরাধী ধরা, অপরাধ দমন ইত্যাদি সব কাজ সার্থকভাবে ও দ্রুত সম্পাদন করা যায় উন্নত যােগাযােগের মাধ্যমে। তথ্য বিনিময়, কোনাে পরিকল্পনা তৈরি ও বাস্তবায়ন, কোনাে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ, মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদান করে মানুষকে প্রভাবিত করা ইত্যাদি সব কাজই যােগাযােগের দ্বারা করা সম্ভব। ইলেকট্রনিক যােগাযােগ প্রযুক্তি আমাদের দিন দিন পৌঁছে দিচ্ছে উন্নতির শিখরে। আতদিনই এগিয়ে যাচ্ছি আমরা। তাই এ যুগকে বলা হয় তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির যুগ।

ডিজিটাল ও এনালগ সংকেত কী 

সংকেত হলাে কোনাে চিহ্ন বা কার্য বা শব্দ যেটি নির্দিষ্ট তথ্য বহন করে। তথ্য বহন করার জন্য নানা

র মাধ্যমে নানা ধরনের সংকেত ব্যবহার করা সম্ভব। এই অধ্যায়ে আমরা শুধু বৈদ্যুতিক বা তড়িত সংকেতের মাঝে আমাদের আলােচনা সীমাবদ্ধ রাখব।

সংকেত প্রেরণের দিক দিয়ে বিবেচনা করলে ইলেক্ট্রিক্যাল সংকেতকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: এনালগ ও ডিজিটাল।

ডিজিটাল সংকেত কাকে বলে

নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিবর্তিত হতে থাকা তথ্য বা উপাত্তের এই সিগন্যালকে সম্পূর্ণ অন্যভাবে প্রক্রিয়া সভব। সেটি করার জন্য একটু পর পর তার মানটি কত বের করে কোনাে এক ধরনের সংখ্য মনে নিতে হয়। তারপর ধারাবাহিকভাবে এই সংখ্যাটির মানকে সংরক্ষণ করতে হয়। যখন সংকেত অন্ধ সংখ্যায় বা ডিজিটে পরিবর্তন করে নেয়া হয়, তখন তাকে আমরা বলি ডিজিটাল সংকেত আমরা তখন ডিজিটাল সংকেতের এই সংখ্যাগুলাে আমাদের প্রয়ােজনমতাে ইলেকট্রনিক্স ব্যবহার। কিয়া করতে পারব। যখন আবার সেটিকে তার মূল এনালগ সিগন্যালে পরিবর্তন করতে হয়। কানাবাহিকভাবে সংরক্ষিত মানের সমান বৈদ্যুতিক সিগন্যাল তৈরি করে নিতে হয়।

জীবনে দশ ভিত্তিক দশমিক (Decimal) সংখ্যা ব্যবহার করি। কিন্তু ইলেকট্রনিক্সে সংখ্যা প্রকাশ করা হয় বাইনারি সংখ্যা দিয়ে, কারণ তাহলে খুব সহজেই কোনাে একটি নির্দিষ্ট ডােন্টেজকে ১ এবং শূন্য ভােন্টেজকে ০ ধরে প্রক্রিয়া করা যায়। এই ধরনের ইলেকট্রনিক্সকে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স বলা হয়।

ইলেকট্রনিক্সের সবচেয়ে বড় অবদান কম্পিউটার এবং কম্পিউটারে সকল তথ্যের আদান-প্রদান বা তথ্য প্রক্রিয়া হয় ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স দিয়ে। ইন্টারনেট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কেও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স ব্যবহার করে তথ্য আদান প্রদান করা হয়। শব্দ ছবি বা ভিডিও ইত্যাদি সিগন্যালগুলাে শুরু হয় এ সিগন্যাল হিসেবে এবং ব্যবহারও হয় এনালগ সিগনাল ।

বে এবং ব্যবহারও হয় এনালগ সিগন্যাল হিসেবে কিন্তু সেগুলাে ডিজিটাল সিগন্যাল ।

এনালগ সংকেত কাকে বলে

আমাদের চারপাশে প্রতিমুহূর্তে যা ঘটেছে, যেমন শব্দ, আলাে চাপ তাপমাত্রা বা অন্য কিছু সেগুলােকে আমরা কোনাে এক ধরনের তথ্য বা উপাত্ত হিসেবে প্রকাশ করি। তাদের মান নিরবচ্ছিন তারে পরব হতে পারে। আমাদের নানা কাজে সেই মানের প্রয়ােজন হতে পারে, তাই সেই মান আমরা সকলে করি, বিশ্লেষণ করি কিংবা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় প্রেরণ করি। উপাত্ত প্রক্রিয়া করার জন্য আমরা ইলেকট্রনিক্স ব্যবহার করতে পারি। নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিবর্তিত হতে থাকা এই তথ্য ও

বৈদ্যতিক সিগন্যালে পরিবর্তন করা সম্ভব এবং এই ধরনের সংকেত বা সিগন্যালকে আমরা বলি – সংকেত বা এনালগ সিগন্যাল। এই এনালগ সিগন্যালকে যদি সরাসরি কোনাে এক ধরনের ইলেকট্রনিক দিয়ে আমরা প্রক্রিয়া করি, তাহলে সেটাকে বলা হয় এনালগ ইলেকট্রনিক্স।

Leave a Comment